info@laboratorians.net Established 1961 | "আলো আরও আলো"

OLSA গঠনতন্ত্র

ডাটাবেস থেকে সম্পূর্ণ প্রদর্শন (কোন সংক্ষিপ্তকরণ নয়)

সূচিপত্র (ধারা)

ধারা-১

সংগঠনের নাম

"ওল্ড ল্যাবরেটরিয়ানস এসোসিয়েশন (ওলসা)" / "Old Laboratorians Association (OLSA)"

ধারা-২

সংগঠনের ঠিকানা

সিদ্দিকী প্লাজা, ২য় তলা, ৪৪ নিউ এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা-১২০৫, বাংলাদেশ। সংস্থার কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্তক্রমে সংস্থার কার্যালয় ঢাকা জেলার যে কোন স্থানে স্থানান্তরিত হলে ০১ (এক) সপ্তাহের মধ্যে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে।

ধারা-৩

সংগঠনের কার্য এলাকা

ঢাকা জেলা। +1
পরবর্তীতে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে ঢাকার বাইরে কার্যক্রম সম্প্রসারন করা যাবে।

ধারা-৪

সংগঠনের ধরণ

এটি শুধুমাত্র গবর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুল, ঢাকা এর প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক, অলাভজনক, স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ মূলক সংগঠন। এক বা একাধিক বিষয়ের বা বিভিন্ন কার্যক্রমের সমন্বয়ে সমাজ কল্যাণমূলক ও মানব হিতৈষী সংগঠন।

ধারা-৫

বিস্তারিত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে নিম্নোক্ত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করবে। 
৫.১ গবর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুল, ঢাকা এর সকল প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মাঝে সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সৃষ্টি করা। 
৫.২ ওল্ড ল্যাবরেটরিয়ানস এসোসিয়েশন (ওলসা) এর সদস্যদের অধিকার নিশ্চিত করার চেষ্টা করা। 
৫.৩ সকল প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানে সহযোগিতা করা। 
৫.৪ প্রয়োজনীয় সময়ে বা যে কোন প্রয়োজনে প্রাক্তন শিক্ষক, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা। 
৫.৫ সংগঠনের ভবিষ্যত কর্মকান্ডের লক্ষ্যে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা ও সহযোগিতা প্রদান করা। +1
৫.৬ প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের তথ্য সম্বন্ধে রেকর্ড প্রস্তুত করা ও তা যথাযথ ব্যবস্থাপনা করা। +1
৫.৭ সংগঠনের সর্বোচ্চ ক্ষমতা দিয়ে শিক্ষাসহ সামাজিক উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে অংশ গ্রহন করা। +1
৫.৮ সকল প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা। +1
৫.৯ শুধুমাত্র গবর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুল, ঢাকা এর এর প্রাক্তন ছাত্রদের অংশ গ্রহণের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রাক্তন ছাত্রদের স্বার্থরক্ষা ও তাদের সুবিধা ও অসুবিধাগুলো আলাপ- আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা। +1
৫.১০ প্রাক্তন ছাত্রদের একত্রীকরণের নিমিত্তে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা। এছাড়া বিভিন্ন চিত্তবিনোদন মূলক অনুষ্ঠান, মিটিং, পুর্নমিলনী, আলোচনা সভা, খেলাধূলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, প্রশিক্ষণ, প্রদর্শনী, সেমিনার, গবেষণা মূলক কাজ প্রকাশনা ইত্যাদির আয়োজন করা। +1
৫.১১ উক্ত স্কুলের বর্তমান ও প্রাক্তন ছাত্র, শিক্ষক ও কর্মচারীদের সুবিধার জন্য বিভিন্ন শিক্ষামূলক আয়োজন, ক্লাব, গবেষণাকেন্দ্র ইত্যাদি সস্থাপন করা। এছাড়া গরীব / অস্বচ্ছল ছাত্রদের বৃত্তি, ভাতা, প্রণোদনা ইত্যাদির ব্যবস্থা করা। +1
৫.১২ প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা দেশের যে কোন প্রয়োজনে, যে কোন সময়ে সর্বোচ্চ দক্ষতা দিয়ে স্বেচ্ছাশ্রম কার্যক্রমে অংশগ্রহনের চেষ্টা করা। +1
৫.১৩ জনগনের উন্নয়নের লক্ষ্যে রাষ্ট্রের গৃহীত কর্মসূচী সফল বাস্তবায়নে ও জনগনের অংশগ্রহন নিশ্চিত করণে সহযোগীতা মূলক কর্মসূচী গ্রহনের চেষ্টা করা। +1
৫.১৪ প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিভিন্ন অঞ্চলে চিকিৎসক ও স্বেচ্ছাসেবক প্রেরণের মাধ্যমে সেবা প্রদানের চেষ্টা করা। +1
৫.১৫ স্বাস্থ্য সংক্রান্ত শিক্ষা এবং আনুষাঙ্গিক স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মকান্ডে সহায়তা প্রদান করা। +1

ধারা-৬

সদস্যপদ

৬.১ সদস্য পদের যোগ্যতাঃগবর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুল, ঢাকা এর প্রাক্তন এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ যে কোন ব্যক্তি সংগঠনের সদস্য হিসেবে অর্ন্তভুক্ত হতে পারবে। তবে শর্ত থাকে যে, তাকে অবশ্যই গবর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুল, ঢাকায় অন্তত এক বছর শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে এবং একটি বার্ষিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে পরবর্তী শ্রেণিতে উন্নীত হতে হবে। +1
৬.২ সদস্য ভর্তির নিয়মাবলীঃ
ক) সংগঠন কর্তৃক নির্ধারিত আবেদনপত্র/ফর্ম যথাযথভাবে পূরণ করে এক বছরের চাঁদা ১,২০০ (এক হাজার দুইশত) টাকা সহ সভাপতি/মহাসচিব বরাবরে জমা দিতে হবে। নির্বাহী পরিষদ সময় সময় চাঁদার হার নির্ধরন করবেন। +1
খ) কার্যকরী পরিষদের সভায় গৃহীত প্রস্তাব অনুযায়ী সদস্যপদের আবেদন মঞ্জুর/খারিজ হবে। +2
গ) মহাসচিব জমাকৃত আবেদন অনুমোদনের জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় পেশ করবেন এবং অনুমোদন সাপেক্ষে সদস্য রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত করবেন। 
কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় সদস্যপদের জন্য আবেদনকারী ব্যাক্তির নাম সংস্থার সদস্য হিসেবে গণ্য হলে ০৩ (তিন) কার্যদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিকে বিষয়টি অবহিত করা হবে। +3
৬.৩ চাঁদাঃ
ক) সাধারণ/প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের বার্ষিক চাঁদার পরিমাণ ১,২০০ (এক হাজার দুইশত) টাকা। +1
খ) ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বছর গণ্য হবে। বছরের যে কোন সময় চাঁদা প্রদান সাপেক্ষে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সাধারণ সদস্য পদ বহাল থাকবে। +1
গ) আজীবন সদস্যপদের জন্য এককালীন চাঁদার পরিমাণ ২০,০০০ (বিশ হাজার) টাকা মাত্র। +1
ঘ) সাধারণ পরিষদের অনুমোদনক্রমে চাঁদার হার সমূহ পুনঃনির্ধারণ করা যাবে।

ধারা-৭

সদস্যপদের ধরণ

এই প্রতিষ্ঠানে নিম্নরূপ ৩ (তিন) ধরণের সদস্য থাকবে - 
৭.১ প্রতিষ্ঠাতা সদস্যঃযাদের উদ্যোগে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তারাই প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে বিবেচিত হবেন।  আজীবন সদস্য না হলে সাধারণ সদস্যদের ন্যায় তারা বার্ষিক চাঁদা পরিশোধ করবেন। তাদের ভোটাধিকার এবং নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করার অধিকার থাকবে। +2
৭.২ সাধারণ সদস্যঃসংগঠনের সকল প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, আজীবন সদস্য এবং ধারা-৬ মোতাবেক সকল সদস্য সাধারণ সদস্য হিসেবে গণ্য হবেন। সাধারণ সদস্যদের ভোট প্রদানের এবং সংঘের যে কোন বিষয়ে জানার অধিকার থাকবে। +2
৭.৩ আজীবন সদস্যঃসংগঠনের আদর্শ, উদ্দেশ্য এবং গঠনতন্ত্রের প্রতি আস্থাশীল হয়ে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার অন্তত ১০ (দশ) বছর পর উপধারা-৬.১ অনুযায়ী কেউ এককালীন নির্ধারিত টাকা প্রদান করলে কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদনক্রমে তাঁকে আজীবন সদস্য হিসেবে গ্রহণ করা যাবে।  তাঁকে বার্ষিক চাঁদা প্রদান করতে হবে না। আজীবন সদস্যপদের জন্য এককালীন চাঁদার টাকার পরিমাণ নির্বাহী পরিষদ সময় সময় নির্ধারন করতে পারবেন। তাদের ভোটাধিকার এবং নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করার অধিকার থাকবে। +3

ধারা-৮

সদস্যপদ শুন্য, স্থগিত, বাতিলের নিয়মাবলী

নিম্নে উল্লিখিত কারণে সদস্যের সদস্যপদ বাতিল হতে পারে +1
৮.১ চাঁদা প্রদান না করলে। 
৮.২ স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করলে। 
৮.৩ পাগল কিংবা দেউলিয়া সাব্যস্ত হলে। 
৮.৪ গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী কোন কার্যকলাপে লিপ্ত হলে। 
৮.৫ সমাজ বা রাষ্ট্র বিরোধী কোন কাজে অংশ গ্রহণ করলে। 
৮.৬ মৃত্যুবরণ করলে। 
৮.৭ কার্যনির্বাহী পরিষদের কোন সদস্য পর পর তিনটি পরিষদের সভায় সভাপতির/মহাসচিবের বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত থাকলে তাঁর পরিষদের সদস্যপদ বাতিল বলে গণ্য হবে। +1

ধারা-৯

সদস্যপদ পুনঃ লাভের পদ্ধতি

সদস্যপদ হারানোর পর উপযুক্ত ব্যাখ্যা সহ লিখিতভাবে সভাপতি/মহাসচিব এর কাছে আবেদন পেশ করতে হবে।  সভাপতি/মহাসচিব ঐ আবেদন নির্বাহী পরিষদের সভায় পেশ করবেন। সভায় ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ) সদস্য তা অনুমোদন করলে বকেয়া চাঁদা পরিশোধ সাপেক্ষে পুনরায় সদস্যপদ লাভ করা যাবে। +1

ধারা-১০

সাংগঠনিক কাঠামো

সংগঠনের ব্যবস্থাপনার সুবিধার্থে সাংগঠনিক কাঠামো হবে তিনটি; যথাঃ 
(১) সাধারণ পরিষদ, 
(২) নির্বাহী পরিষদ এবং 
(৩) উপদেষ্টা পরিষদ। +1
১০.১ সাধারণ পরিষদঃসংগঠনের সাধারণ সদস্য, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও আজীবন সদস্য সমন্বয়ে এ পরিষদ গঠিত হবে। এ পরিষদের সদস্য সংখ্যার কোন উর্দ্ধসীমা থাকবে না। +1
১০.২ নির্বাহী পরিষদঃসাধারণ পরিষদ কর্তৃক ভোটের মাধ্যমে অথবা দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা/নির্বাচনী সভায় উপস্থিত সদস্যদের সম্মতিক্রমে ০২ (দুই) বছরের জন্য নিম্নোক্ত ২৭ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাহী পরিষদ গঠন করা হবে। নির্বাহী কমিটির মেয়াদ হবে নির্বাচনের তারিখ হতে ২ (দুই) বছর।  ক) সভাপতি - ১ জন, 
খ) সহ-সভাপতি - ৫ জন, 
ঘ) মহাসচিব - ১ জন, 
ঙ) যুগ্ম-মহাসচিব - ২ জন, 
চ) কোষাধ্যক্ষ - ১ জন, 
ছ) দপ্তর সম্পাদক - ১ জন, 
জ) সাংগঠনিক সম্পাদক - ১ জন, 
ঝ) যুগ্মসাংগঠনিক -সম্পাদক - ১ জন, 
ঞ) আইন সম্পাদক - ১ জন, 
ট) তথ্য ও যোগাযোগ সম্পাদক - ১ জন, 
ঠ) ক্রীড়া সম্পাদক - ১ জন, 
ড) সংস্কৃতি সম্পাদক - ১ জন, 
ঢ) সমাজ কল্যাণ সম্পাদক - ১ জন, 
ণ) প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক - ১ জ
ন, ) কার্যকরী সদস্য - ৮ জন। মোট - ২৭ জন +3
১০.৩ উপদেষ্টা পরিষদঃপ্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান এবং প্রযোজ্য বিভিন্ন উপায়ে তাঁদের সহায়তা করার জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদ-কে দায়িত্ব নেয়ার এক মাসের মধ্যে একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করতে হবে, যার মেয়াদ হবে গঠনের দিন হতে পরবর্তী ০২ (দুই) বছর। 
বিশিষ্ট ল্যাবরেটরিয়ানস সমাজকর্মী, গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং সংগঠনের শুভাকাঙ্ক্ষীদের সমন্বয়ে এ পরিষদ গঠিত হবে। 

পূর্ববর্তী নির্বাহী পরিষদের সভাপতি, মহাসচিব এবং কোষাধ্যক্ষ নির্বাহী পরিষদে পুনঃনির্বাচিত না হলে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে অধিষ্ঠিত হবেন। এ পরিষদের সদস্য ০৭ (সাত) বা ততোধিক বিজোড় সংখ্যক হবে। ল্যাবরেটরিয়ান নন, উপদেষ্টা পরিষদের এরূপ সদস্যদের (যদি থাকেন) পরিষদে ভোটাধিকার থাকবে না। +4

ধারা-১১

সাধারণ পরিষদের ক্ষমতা ও দায়িত্ব

১১.১ সংগঠনের সকল কার্যাবলী নিয়ন্ত্রন করবে। 
১১.২ সংগঠনের গঠনতন্ত্রের রক্ষক হিসেবে কাজ করবে। 
১১.৩ সংগঠনের গঠনতন্ত্রের কোন প্রকার সংশোধনের প্রয়োজন হলে সাধারন সভায় উপস্থিত ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ) সদস্যদের অনুমোদনক্রমে তা সংশোধন করবে। +1
১১.৪ সংগঠনের বার্ষিক বাজেট এবং নিরীক্ষিত হিসাব অনুমোদন করবে। +1
১১.৫ সংগঠনের বিলোপ সাধনের প্রয়োজন দেখা দিলে ৩/৫ (তিন-পঞ্চমাংশ) সদস্যদের অনুমোদনক্রমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। +1
১১.৬ সংগঠনের দূর্যোগ মুহুর্তে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে এবং তা চুড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। +1
১১.৭ সংগঠনের আর্থিক নিয়মনীতি ও নিয়োগবিধি অনুমোদন করবে। 
১১.৮ তলবী সভা আহ্বানপূর্বক নির্বাহী পরিষদের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে পারবে। 
১১.৯ সংগঠনের নির্বাহী পরিষদ গঠন ও অনুমোদন করবে।

ধারা-১২

নির্বাহী পরিষদের ক্ষমতা ও দায়িত্ব

১২.১ সংস্থার লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সকল প্রকার কার্য সম্পাদন করা। 
১২.২ সংগঠনের কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ করা। 
১২.৩ সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দৈনন্দিন/নিয়মিত কার্যাবলী পরিচালনা করা। 
১২.৪ প্রয়োজনে কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ করা এবং তাদের বেতন ও ভাতাদি নির্ধারণ করা। নিয়োগকৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব ও কর্তব্য নির্ধারণ করা এবং তাদের নিয়ন্ত্রণ করা। সংগঠনের জনবল নিয়োগের বিষয়ে চাকুরী বিধিমালা প্রণয়ন ও সাধারণ পরিষদের অনুমোদন গ্রহণ করা। +4
১২.৫ বিশেষ কার্য সম্পদনে উপ-কমিটি এবং স্থায়ী কমিটি গঠন করা। +1
১২.৬ সভা করার দিন, তারিখ, সময়, স্থান এবং এজেন্ডা নির্ধারণ করা। +1
১২.৭ সংগঠনের সকল প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা, প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন এবং মূল্যায়ন করা। +1
১২.৮ ধারা-৬ অনুযায়ী সদস্যপদ গ্রহণ এবং ধারা-৮ অনুযায়ী কোন সদস্যদের সদস্যপদ বাতিলের ব্যবস্থা গ্রহণ করা। +1
১২.৯ সাধারণ পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত বাজেট অনুযায়ী আয় ও ব্যয় করা। দৈনন্দিন খরচ অনুমোদন করা। বাজেট প্রণয়ন এবং অনুমোদনের জন্য সাধারণ সভায় পেশ করা। +2
১২.১০ অনুমোদিত হিসাব নিরীক্ষা ফার্ম/সংশ্লিষ্ট সমাজসেবা কর্মকর্তা কর্তৃক বার্ষিক হিসাব নিরীক্ষা করা। 
১২.১১ সংগঠনের ব্যাংক একাউন্ট পরিচালনা করা। 
১২.১২ সংগঠনের সকল হিসাব-নিকাশ, খরচের ভাউচার, বই ও ক্যাশ বই করার ব্যবস্থা করা। ১২.১৩ সংগঠনের সকল সম্পদের দেখাশুনা করা।

ধারা-১৩

প্রশাসনিক ব্যবস্থায় পদ অনুযায়ী কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যদের দায়িত্ব ও কর্তব্য

১৩.১ সভাপতি: 
ক) সভাপতি সংগঠনের সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। 
খ) সাধারণ পরিষদ ও নির্বাহী পরিষদের সভাসমূহে সভাপতিত্ব করবেন। 
গ) কোন সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে যদি সমান সংখ্যক ভোট পড়ে তবে কাস্টিং ভোট প্রদান করে সমস্যার মিমাংসা করবেন।  
ঘ) সংগঠনের পক্ষে যেকোন চুক্তি স্বাক্ষর করবেন। প্রয়োজনে মহাসচিব-কে উক্ত দায়িত্ব প্রদান করবেন।  
ঙ) তিনি সকল বিভাগীয় কর্মকর্তাদের কাজে তদারকি, পরামর্শ ও উৎসাহ প্রদান করবেন এবং যে কোন সভা/সিম্পোজিয়াম/সেমিনার ইত্যাদিতে সংস্থার পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করবেন। তিনি সংস্থার পক্ষে যেকোন অতিথিকে অভ্যর্থনা ও সাক্ষাৎকার প্রদান করবেন। +4
১৩.২ সহ-সভাপতি: তাঁরা সভাপতির সকল কাজে সার্বিক সহযোগিতা করবেন এবং সভাপতির অবর্তমানে প্রবীণতম সহ-সভাপতি তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব পালন করবেন। +2
১৩.৩ মহাসচিব: 
ক) সংগঠনের অবৈতনিক প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। 
খ) সংগঠনের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। 
গ) সভাপতির সাথে পরামর্শক্রমে সভার তারিখ, সময়, স্থান ও আলোচ্যসূচী নির্ধারণপূর্বক সভার নোটিশ প্রদান করবেন। 
ঘ) সংগঠনের পক্ষে চিঠিপত্র আদান প্রদান করবেন। 
ঙ) সংগঠনের পক্ষে সরকারি, আধা-সরকারি ও দাতা সংগঠন সমূহের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করবেন। 
চ) সভাপতির অনুমতি সাপেক্ষে সংগঠনের পক্ষে যেকোন চুক্তি স্বাক্ষর করবেন। 
ছ) কোষাধ্যক্ষের মাধ্যমে সংগঠনের আয় ও ব্যয়ের হিসাব রক্ষণাবেক্ষন করবেন। 
জ) বাৎসরিক বাজেট প্রণয়ন এবং সাধারণ সভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করবেন। 
ঝ) বার্ষিক সাধারণ সভায় সংগঠনের কাজের প্রতিবেদন ও নিরীক্ষিত হিসাব পেশ করবেন। 
ঞ) কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক গঠিত বিভিন্ন পরিষদের কাজের তদারকি করবেন। +4
১৩.৪ যুগ্ম মহাসচিব: তাঁরা মহাসচিবের সকল কাজে সার্বিক সহযোগিতা করবেন এবং তাঁর অবর্তমানে জ্যেষ্ঠতা অনুসারে তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব পালন করবেন। +2
১৩.৫ কোষাধ্যক্ষ: 
ক) সংগঠনের সকল প্রকার আর্থিক বিষয়ক দায়িত্ব পালন করবেন। 
খ) তিনি প্রতিষ্ঠানের সকল প্রকার অর্থ, চাঁদা, দান/অনুদান রশিদ বহির মাধ্যমে গ্রহণ করবেন এবং আয়-ব্যয় হিসাব ক্যাশ বইতে উঠানোর ব্যবস্থা করবেন। 
গ) সংগঠনের খরচ, বিলের ভাউচার ও সদস্যদের চাঁদার হিসাবসহ সকল প্রকার আর্থিক হিসাবপত্র সংরক্ষণে ব্যবস্থা করবেন। 
ঘ) সংগঠনের মাসিক ও বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব এবং অডিট রিপোর্ট করানোর জন্য সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। 
ঙ) ব্যাংকে টাকা জমাদান এবং ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলনের ব্যবস্থা করবেন। 
চ) সংগঠনের হিসাব পরিচালনার ক্ষেত্রে কোষাধ্যক্ষ এবং সভাপতি/মহাসচিবের যে কোন একজনের যৌথ স্বাক্ষরে ব্যাংক হিসাব পরিচালনা করবেন। +4
১৩.৬ দপ্তর সম্পাদক: 
ক) তিনি সংগঠনের দাপ্তরিক সকল কাজ সভাপতি ও মহাসচিবের পরামর্শক্রমে পালন করবেন। 
খ) সংস্থার যাবতীয় নথিপত্র, ফাইল ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি সংরক্ষন, রক্ষনাবেক্ষন ইত্যাদি দায়িত্ব পালন করবেন। 
গ) সংগঠনের সকল সম্পদের দেখাশুনা ও প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে পরামর্শ করবেন। +2
১৩.৭ সাংগঠনিক সম্পাদক: 
ক) তিনি সংগঠনের সাংগঠনিক সকল কাজ সভাপতি ও মহাসচিবের পরামর্শক্রমে পালন করবেন। 
খ) তিনি সংগঠনের এবং কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যদের মধ্যে ঐক্য ও সাংগঠনিক কাঠামো সুদৃঢ় রাখতে যথাযথ ভূমিকা পালন করবেন। 
গ) তিনি সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রমে সাংগঠনিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করবেন। +2
১৩.৮ যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক: তিনি সাংগঠনিক সম্পাদকের সকল কাজে সার্বিক সহযোগিতা করবেন এবং তাঁর অবর্তমানে উক্ত দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব পালন করবেন। +2
১৩.৯ আইন সম্পাদক: 
ক) তিনি সংগঠনের আইন ও কমপ্লায়েন্স বিষয়ক সকল কাজ সভাপতি ও মহাসচিবের পরামর্শক্রমে পালন করবেন। 
খ) সংগঠন সুষ্ঠুরূপে পরিচালনার জন্য সরকারি-বেসরকারি সকল কতৃপক্ষ বা সংস্থার যাবতীয় কমপ্লায়েন্স সংগঠনের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে হালনাগাদ রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। 
গ) সংগঠনের যাবতীয় চুক্তি বা সিদ্ধান্ত আইনানুগ ভাবে সম্পন্ন করার প্রয়োজনীয় পরামর্শ এবং ড্রাফটিং সম্পাদন করবেন। +3
১৩.১০ তথ্য ও যোগাযোগ সম্পাদক: তিনি সংগঠনের তথ্য ও যোগাযোগ বিষয়ক সকল কাজ সভাপতি ও মহাসচিবের পরামর্শক্রমে পালন করবেন। 
ক) তিনি সংগঠনের তথ্য সংরক্ষণ, আদান-প্রদান, নিরাপত্তা বিধান সহজিকরনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। 
খ) তিনি সংগঠনের সকল প্রকার যোগাযোগ আদান-প্রদান, নিরাপত্তা বিধান সহজিকরনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। 
গ) তিনি সভাপতি ও মহাসচিবের পরামর্শক্রমে সংগঠনের সকল প্রকার তথ্য প্রযুক্তি বিষয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। +4
১৩.১১ ক্রীড়া সম্পাদক: 
ক) তিনি সংগঠনের ক্রীড়া বিষয়ক সকল কাজ সভাপতি ও মহাসচিবের পরামর্শক্রমে পালন করবেন। 
খ) তিনি সংগঠনের সদস্যদের শারীরিক ও মানসিক উৎকর্ষ সাধনের জন্য সংগঠন কর্তৃক আয়োজিত সকল ক্রীড়া অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। +1
১৩.১২ সংস্কৃতি সম্পাদক: 
ক) তিনি সংগঠনের সংস্কৃতি বিষয়ক সকল কাজ সভাপতি ও মহাসচিবের পরামর্শক্রমে পালন করবেন। 
খ) তিনি সংগঠনের সদস্যদের মানসিক উৎকর্ষ সাধনের জন্য সংগঠন কর্তৃক আয়োজিত সকল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। +2
১৩.১৩ সমাজ কল্যাণ সম্পাদক: 
ক) তিনি সংগঠনের সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সকল কাজ সভাপতি ও মহাসচিবের পরামর্শক্রমে পালন করবেন। 
খ) তিনি সংগঠনের সদস্যদের সামাজিক কল্যাণমূলক সংগঠন কর্তৃক আয়োজিত সকল কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। +1
১৩.১৪ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক: 
ক) তিনি সংগঠনের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সকল কাজ সভাপতি ও মহাসচিবের পরামর্শক্রমে পালন করবেন। 
খ) তিনি বিভিন্ন সময়ে বা কার্যক্রমে সংগঠন কর্তৃক সকল প্রকার প্রকাশনার এবং সংরক্ষণের সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। 
গ) তিনি সংগঠনের সকল প্রকার প্রচারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। +2
১৩.১৫ কার্যকরী সদস্য: 
ক) নির্বাহী পরিষদের কার্যকরী সদস্যগন সকল সভায় উপস্থিত থাকবেন এবং পরিষদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে মতামত প্রদান করবেন। 
খ) নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক তাঁদের উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবেন। +2
১৩.১৬ উপ-কমিটি/স্থায়ী কমিটিঃ 
ক) সংগঠনের বিভিন্ন কাজের সুবিধার্থে নির্বাহী পরিষদ যে কোন সময়ে একাধিক সদস্য সমন্বয়ে যে কোন উপ-কমিটি বা স্থায়ী কমিটি গঠন করতে পারবে। 
খ) সভাপতি ও মহাসচিব পদাধিকার বলে সকল উপ-কমিটি বা স্থায়ী কমিটি সমূহের সদস্য হিসাবে অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। +1

ধারা-১৪

সংগঠনের শাখা

১৪.১ সংগঠনের শাখা গঠনের জন্য অন্তত ৩ টি ব্যাচের ২৫ জন ল্যাবরেটরিয়ান (উক্ত অঞ্চলে বসবাসকারী) একত্রে তাঁদের বিস্তারিত উল্লেখপূর্বক কেন্দ্রীয় সভাপতি বরাবর আবেদন করতে হবে। কার্যনির্বাহী পরিষদ উক্ত শাখার প্রয়োজনীয়তা এবং সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে প্রাথমিক অনুমোদন প্রদান করবে। +2
১৪.২ শাখা পরিষদ গঠন ও কাঠামোঃ কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্তক্রমে ও নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে বিভিন্ন অঞ্চলে সংগঠনের শাখা গঠন করা যাবে। একটি অঞ্চলে একটিই শাখা থাকতে পারবে। +2
১৪.৩ শাখা পরিষদসমূহের দায়িত্ব, কর্তব্য ও সুবিধাঃ শাখা পরিষদ সংগঠনের কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত বা গৃহীত কার্যাদি বাস্তবায়ন করবে। শাখা পরিষদ তাদের সকল কাজের জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদের নিকট সম্পূর্ণরূপে দায়বদ্ধ থাকবে এবং জবাবদিহি করতে হবে। কেন্দ্রীয় পরিষদ কর্তৃক অনুমোদন ছাড়া শাখা পরিষদ অতিরিক্ত কোন কার্যাদি সম্পন্ন করতে পারবেন না। +3
১৪.৪ শাখা সমূহের কার্যক্রম স্থগিতঃ কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যে কোন সময় যে কোন শাখা পরিষদের কার্যক্রম স্থগিত করা যাবে। কার্যনির্বাহী পরিষদ কোন শাখার কার্যক্রম স্থগিত করলে উক্ত শাখা স্থগিতের কারণ উল্লেখ করে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করতে হবে। +2

ধারা-১৫

নির্বাচন পদ্ধতি

১৫.১ নির্বাচনের সময় রঙ্গিন ছবি যুক্ত ভোটার তালিকা প্রনয়ন করতে হবে। এবং সংগঠনের কমিটি গঠনের পূর্বে নিবন্ধীকরন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে। নির্বাচনের দিন নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। +3
১৫.২ সাধারণ পরিষদ কর্তৃক গোপন ভোটের মাধ্যমে অথবা ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ) সদস্যের সম্মতিক্রমে দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা বা নির্বাচনী সভার মাধ্যমে নির্বাহী পরিষদ গঠন করতে হবে। +1
১৫.৩ একটি নির্বাচনে একজন প্রার্থী কেবলমাত্র একটি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন। +1
১৫.৪ একজন সদস্য একটি পদে একটি মাত্র ভোট প্রদান করবেন। কোন প্রতিনিধির মাধ্যমে ভোট প্রদান করা যাবে না। 
১৫.৫ প্রয়োজন সাপেক্ষে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, গোপনীয়তা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে নির্বাহী পরিষদ এবং নির্বাচন কমিশনের মতৈক্যের ভিত্তিতে অনলাইনে ভোট গ্রহণ করা যাবে। 
১৫.৬ নির্বাহী পরিষদের মেয়াদঃ নির্বাচনের তারিখ থেকে পরবর্তী ২ বছর পর্যন্ত কমিটির মেয়াদ বহাল থাকবে। কমিটির এ মেয়াদকালের মধ্যেই ধারা-
১৫.৭ অনুসরণ করে পরবর্তী নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহন করতে হবে। বিশেষ প্রয়োজনে এবং সন্তোষজনক কারণে একটি নির্বাহী পরিষদের মেয়াদ মাত্র একবার সর্বোচ্চ তিন মাস বাড়ানো যাবে। +3
১৫.৭ নির্বাচন কমিশনঃ নির্বাচিত নির্বাহী পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার কমপক্ষে ৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) দিন পূর্বে সাধারণ পরিষদের অথবা নির্বাহী পরিষদের সভার সিদ্ধান্তক্রমে সংস্থার আজীবন সদস্যদের মধ্য থেকে যারা উক্ত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না এরূপ ৩ (তিন) সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। এদের মধ্যে একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অপর দুইজন সহকারী নির্বাচন কমিশনার থাকবেন। +2
১৫.৮ নির্বাচনের পর অনতিবিলম্বে নির্বাচনের ফল ঘোষনা করতে হবে। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষনার পর নির্বাচন কমিশন বিলুপ্ত হবে। 
১৫.৯ নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের নুন্যতম ৩০ (ত্রিশ) দিন পূর্বে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবেন এবং নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণ করবেন। 
১৫.১০ দুই প্রার্থী নির্বাচনে সমান সংখ্যক ভোট পেলে লটারীর মাধ্যমে ফলাফল চুড়ান্ত করা হবে। 
১৫.১১ এসএসসি একই ব্যাচ হতে এক নির্বাহী পরিষদে অনধিক দুইজন দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। প্রয়োজনে লটারির মাধ্যমে তা নির্ধারিত হবে। 
১৫.১২ একই ব্যক্তি একই পদে পর পর দুই বারের বেশি নির্বাচিত হতে পারবেন না। অর্থাৎ পর পর দুই মেয়াদে একই পদে দায়িত্ব পালন করার পর তিনি পরবর্তী নির্বাচনে ঐ একই পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না। +1
১৫.১৩ বিদায়ী নির্বাহী পরিষদ নবনির্বাচিত নির্বাহী পরিষদের নিকট নির্বাচনের ৭ (সাত) দিনের মধ্যে দায়িত্ব হস্তান্তর করবেন। 
১৫.১৪ নবনির্বাচিত নির্বাহী পরিষদ নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে অনুমোদনের জন্য নির্বাচনের ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে। নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের পর কমিটি কার্যকর হবে। +1
১৫.১৫ সংগঠনের কার্যক্রমের সুবিধার্থে এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, ভ্রাতৃত্ব ও সুষম অংশগ্রহণমূলক সাংগঠনিক ভিত্তি স্থাপনের লক্ষ্যে নির্বাহী পরিষদের সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ তিন সদস্যের জ্যেষ্ঠতা প্রতিটি পদের বিপরীতে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর যথাক্রমে 
সভাপতি ৪০ বছর, 
মহাসচিব ২৮ বছর এবং 
কোষাধ্যক্ষ ৩০ বছর অতিক্রান্ত হওয়া আবশ্যিক। 
১৫.১৬ নির্বাহী পরিষদের কোন সদস্য পরিষদের পরপর তিনটি সভায় বিনা নোটিসে অনুপস্থিত থাকলে পরিষদ তাঁর সদস্যপদ বাতিল করতে পারবে। 
১৫.১৭ নির্বাহী পরিষদ তাঁদের কাজের সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিধি প্রণয়ন করতে পারবে।

ধারা-১৬

সভা সমূহ

১৬.১ সাধারণ পরিষদের সভাঃ সাধারণ সভা প্রতি এক বছর পর পর অনুষ্ঠিত হবে। তবে এক সভা হতে অন্য সভার দুরত্ব ১৫ মাসের বেশী হবে না। ১৫ (পনের) দিনের নোটিসে এবং মোট সদসদের ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ)-এর উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হবে। যুক্তিসংগত কারণে সশরীরে উপস্থিত হতে অপারগ সদস্যগণ অনলাইনে সভায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। +2
১৬.২ নির্বাহী পরিষদের সভাঃ কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা বছরে কমপক্ষে ৪ (চার) টি করতে হবে। ৭ (সাত) দিন পূর্বে তারিখ, সময়, স্থান ও এজেন্ডাসহ নোটিস প্রদান করতে হবে। মোট সদসদের ২/৩ (দুই- তৃতীয়াংশ)-এর উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হবে। যুক্তিসংগত কারণে সশরীরে উপস্থিত হতে অপারগ সদস্যগণ অনলাইনে সভায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। +3
১৬.৩ কার্যনির্বাহী পরিষদের জরুরী সভাঃ কার্যকরী পরিষদের জরুরী সভা ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার নোটিসে আহ্বান করা যাবে। উক্ত নোটিসে সভাটি কেন জরুরী তার ব্যাখ্যা থাকবে। মোট সদসদের ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ)- এর উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হবে। যুক্তিসংগত কারণে সশরীরে উপস্থিত হতে অপারগ সদস্যগণ অনলাইনে সভায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। +3
১৬.৪ বিশেষ সাধারণ সভাঃ যে কোন বিশেষ কারণে বিশেষ সাধারণ সভা ০৭ (সাত) দিনের নোটিসে আহ্বান করা যাবে। তবে এ সভায় বিশেষ এজেন্ডা ছাড়া অন্য কোন বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে না।  বিশেষ এজেন্ডার উদ্দেশ্য লিপিবদ্ধ করে যথারীতি নোটিস প্রদান করতে হবে। মোট সদসদের ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ)-এর উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হবে। যুক্তিসংগত কারণে সশরীরে উপস্থিত হতে অপারগ সদস্যগণ অনলাইনে সভায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। +4
১৬.৫ তলবী সভাঃ ক) সভাপতি/মহাসচিব গঠনতন্ত্র মোতাবেক সভা আহ্বান না করলে কমপক্ষে মোট সদস্যের ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ) সদস্য বিশেষ সাধারণ সভা কর্মসূচী (এজেন্ডা) বা উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে স্বাক্ষর দান করতঃ তলবী সভার আবেদন সংগঠনের সভাপতি/মহাসচিব এর কাছে জমা দিতে পারবেন। খ) সভাপতি/মহাসচিব তলবী সভার আবেদন প্রাপ্তির ২১ (একুশ) দিনের মধ্যে তলবী সভার আহ্বান না করলে তলবী সদস্যবৃন্দ পরবর্তী মাসে ১৫ (পনের) দিনের নোটিসে সভা আহ্বান করতে পারবেন।  তবে তলবী সভা সংগঠনের অফিসে ডাকতে হবে। মোট সদস্যের ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ)-এর উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হবে। যুক্তিসংগত কারণে সশরীরে উপস্থিত হতে অপারগ সদস্যগণ অনলাইনে সভায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। +3
১৬.৬ মূলতবী সভাঃ 
ক) সাধারণ সভার নির্ধারিত সময়ের সর্বোচ্চ ৩০ (ত্রিশ) মিনিট বিলম্বে সভা করা যাবে অন্যথায় স্থগিত করতে হবে। 
খ) সাধারণ সভা কোরামের অভাবে স্থগিত করলে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে পরবর্তী সভার নোটিস প্রদান করতে হবে এবং পরপর ০২ (দুই) বার সভা স্থগিত হলে পরবর্তী সাধারণ সভায় কোরাম না হলে যতজন সদস্য উপস্থিত থাকবেন তাঁদের নিয়েই সভা অনুষ্ঠিত হবে ও তাঁদের মতামত/সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত করা হবে। যুক্তিসংগত কারণে সশরীরে উপস্থিত হতে অপারগ সদস্যগণ অনলাইনে সভায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। 
গ) নির্বাহী পরিষদের সভা দুইবার কোরামের অভাবে স্থগিত হলে তৃতীয়বার উপস্থিত সদস্যদের নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে। যুক্তিসংগত কারণে সশরীরে উপস্থিত হতে অপারগ সদস্যগণ অনলাইনে সভায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। +4

ধারা-১৭

শূন্য পদ পূরণ

নির্বাহী পরিষদের যে কোন শূন্য পদে পরিষদ যে কোন সময় নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার যোগ্য কাউকে নিয়োগ দিতে পারবে এবং তিনি পরবর্তী নির্বাচন পর্যন্ত পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

ধারা-১৮

আর্থিক ব্যবস্থাপনা

১৮.১ সদস্যদের চাঁদা ও অনুদান, দান, সরকারি/বেসরকারি, দেশী/বিদেশী দাতা সংস্থা, ব্যক্তির অনুদান বা ব্যাংক ঋণ ও অন্যান্য উৎসের আয়ই সংগঠনের আয় বলে বিবেচিত হবে। 
১৮.২ সংগঠনের আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে যে কোন তফসিলী ব্যাংকে সংগঠনের নামে সঞ্চয়ী/চলতি হিসাব খুলতে হবে। 
১৮.৩ উক্ত সঞ্চয়ী/চলতি হিসাবটি সংগঠনের সভাপতি, মহাসচিব ও কোষাধ্যক্ষ এই তিন জনের যৌথ স্বাক্ষরে পরিচালিত হবে। এ ক্ষেত্রে কোষাধ্যক্ষের সাথে সভাপতি/মহাসচিব যে কোন দুই জনের যৌথ স্বাক্ষরে ব্যাংক থেকে অর্থ উত্তোলন করা যাবে। যদি কোষাধ্যক্ষ পদ শূন্য হয়, বিদেশে গমন বা দীর্ঘদিন বিদেশে অবস্থান করেণ সে ক্ষেত্রে কার্যকরী কমিটির সভায় অনুমোদন সাপেক্ষে সভাপতি এবং মহাসচিব এর যৌথ স্বাক্ষরে ব্যাংক থেকে অর্থ উত্তোলন করা যাবে। +2
১৮.৪ সংগঠনের নামে সংগৃহীত অর্থ কোন অবস্থাতেই এক সপ্তাহের বেশী সময় হাতে রাখা যাবে না। অর্থ প্রাপ্তির সাথে সাথে নগদ অর্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দিতে হবে। +1১৮.৫ সংগঠনের দৈনন্দিন কাজ পরিচালনার জন্য সভাপতি যথাযথ ভাউচারের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় অর্থ ব্যয় করতে পারবেন। তবে প্রয়োজন বোধে ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা পর্যন্ত হাতে রাখতে পারবেন। ১৮.৬ অর্থ খরচের পর খরচকৃত অর্থ কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় অনুমোদন নিতে হবে এবং বাৎসরিক সাধারণ সভায় সকল খরচ অনুমোদন এবং বাজেট পেশ ও অনুমোদন করে নিতে হবে।

ধারা-১৯

বৈদেশিক সাহায্য/অনুদান

সংগঠন বৈদেশিক সাহায্য/অনুদান গ্রহণের ক্ষেত্রে ১৯৭৮ সালের ফরেন ডোনেশন অধ্যাদেশের বিধি বিধান অনুসরণ করবে। বৈদেশিক সাহায্য/ অনুদান গ্রহণের ক্ষেত্রে সংগঠনটি সরকারের যে কোন একটি সিডিউল ব্যাংকে হিসাব পরিচালনা করবে। +1

ধারা-২০

তহবিল বৃদ্ধি

সংগঠনের তহবিল বৃদ্ধিতে যে কোন প্রকল্প/কর্মসূচী/অনুষ্ঠান নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে পরিচালনা করা যাবে এবং গৃহীত প্রকল্প/কর্মসূচী/অনুষ্ঠান শেষে আয় ও ব্যয়ের পূর্ণ হিসাব নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করা হবে।

ধারা-২১

নিরীক্ষা

সংগঠনের সকল হিসাব-নিকাশ সরকার অনুমোদিত যে কোন হিসাব সংস্থা (অডিট ফার্ম) বা সংশ্লিষ্ট সমাজসেবা কর্মকর্তা দ্বারা হিসাব নিরীক্ষা করাতে হবে।  এ ধরনের হিসাব নিরীক্ষা বার্ষিক ভিত্তিতে হবে। নিরীক্ষা শেষে প্রতিবেদন নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষ বরাবরে প্রেরণ করতে হবে। +2

ধারা-২২

সংগঠনের কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ

সংগঠনের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার স্বার্থে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ করা যাবে। নিয়োগকৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন ভাতা চাকুরীর শর্তাবলী ও চাকুরী হতে বরখাস্তের বিষয়ে নির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। +1

ধারা-২৩

গঠনতন্ত্রের সংশোধন পদ্ধতি

গঠনতন্ত্রের যে কোন বিষয়ের উপর সংশোধনী আনয়নের জন্য সংশোধিত অনুচেছদের উপর সংগঠনের মোট সদস্যের মধ্য হতে অন্তত ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ) সদস্যের অনুমোদন গ্রহনের পর তা চুড়ান্ত অনুমোদনের জন্য নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের নিকট পেশ করতে হবে। নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত হলে সংশোধনী কার্যকর বলে বিবেচিত হবে। +1

ধারা-২৪

আইন ও বিধির প্রাধান্য

অত্র গঠনতন্ত্রে যা কিছু উল্লেখ থাকুক না কেন সংগঠনটি ১৯৬১ সনের স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (রেজিস্ট্রেশন ও নিয়ন্ত্রন) অধ্যাদেশ ও বিধি ১৯৬২ এর আওতায় প্রচলিত আইন অনুযায়ী সকল কার্যক্রম পরিচালিত হবে। অন্যান্য কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ/কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে কার্যকরী হবে। +2

ধারা-২৫

সকল প্রকার যোগাযোগ ও নোটিস

সংগঠনের সকল প্রকার যোগাযোগ ও নোটিস নিবন্ধিত ঠিকানায় হার্ড কপি বা সফট কপি বা ডিজিটাল মাধ্যমে করা যাবে। +1

ধারা-২৬

সংগঠনের বিলুপ্তি

যদি কোন সুনির্দিষ্ট কারণে সংগঠনের মোট সদস্যের পাঁচ ভাগের তিন ভাগ সদস্য সংগঠনের বিলুপ্তি চান তবে যথানিয়মে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষ বরাবরে আবেদনের পর নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন। বিলুপ্তিকালে সংগঠনের কোন দায় দেনা থাকলে কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যগন দায়ী থাকবেন। +1